শিক্ষক ও জনপ্রতিনিধিরা চাইলে একটি বাল্যবিবাহও হবে না
নেয়ামতউল্যাহ : ভোলা
ভেদুরিয়া ইউনিয়নে বাল্যবিবাহ বেশি না হলে ২০২৩ সালে এতগুলো মেয়ের বিয়ে হলো কীভাবে?
ইকবাল হোসাইন: আমি তো মাত্র দুটি বিয়ের অভিযোগ পেয়েছি। বেশির ভাগই অজানা থাকে। গোপন রাখা হয় হয়তো।
ভেদুরিয়া ইউনিয়নে কিশোর-কিশোরী ক্লাব আছে? থাকলে সেগুলোর কাজ কী?
ইকবাল হোসাইন: সেখানে চারটি কিশোর-কিশোরী ক্লাব আছে। বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, বয়ঃসন্ধিকালে নিজেকে ও অন্য বন্ধুদের সচেতন করা, শিশুর পানিতে পড়া প্রতিরোধ, সামাজিক নিরাপত্তা সম্পর্কে সচেতন হতে শেখানো হয়ে তাদের। কিশোর–কিশোরী ক্লাবের সদস্যরা বাল্যবিবাহের জালে পা দেয় না। নিজেদের তারা এমনভাবে প্রস্তুত করে।
বাল্যবিবাহ বন্ধের উপায় কী?
ইকবাল হোসাইন: পরিবার, বাবা, মা, শিক্ষক ও সমাজের লোকজনকে সচেতন করা। আইনের ভয় দেখিয়ে বাল্যবিবাহ ভেঙে দিলে আরেক এলাকায় গিয়ে বিয়ে পড়িয়ে গোপন রাখেন। বাচ্চা হলে বাড়িতে ফিরে আসে। শিক্ষক ও জনপ্রতিনিধিরা চাইলে একটি বাল্যবিবাহও হবে না।