শৈত্য প্রবাহে নাকাল উত্তরঙ্গের মানুষ

অতিথি নিউজ ডেস্ক ।।

চলমান তীব্র শীত, ঘন কুয়াশা ও হিমেল হাওয়ায় জবুথবু অবস্থা দেশের কয়েকটি জেলার মানুষের। এর মধ্যে উত্তর বঙ্গের জেলাসমূহে শীত যেন বিপর্যয় হয়ে দেখা দিয়েছে। শীতবস্ত্রের অভাবে কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন অনেকে।  উত্তর বঙোগর জেলাসমূহের মধ্যে নীলফামারীর অবস্থা বেশী নাজুক। সৈয়দপুর আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আজ শনিবার (১৩ জানুয়ারি) সকালে জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। খরকুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন বিভিন্ন বয়সের মানুষ। আবহাওয়াজনিত কারনে শিশু ও বয়স্করা ডায়েরিয়া-নিউমোনিয়াসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। ঘন কুয়াশায় দেখা মেলে না সূর্যের, দিনেও হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে বিভিন্ন যানবাহন। তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশায় প্রচণ্ড কষ্টে আছেন গরিব মানুষ। গত এক সপ্তাহ ধরে জেলার সৈয়দপুর বিমানবন্দরে উড়োজাহাজ ওঠা-নামা ব্যাহত হচ্ছে। সৈয়দপুর আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা লোকমান হোসেন বলেন, ‘কুয়াশা ও বাতাসে জলীয় বাষ্প বেশি থাকায় শীত বেশি অনুভূত হচ্ছে। রানওয়েতে ফ্লাইট ওঠা-নামার জন্য দৃষ্টিসীমা অন্তত দুই হাজার মিটার প্রয়োজন হয়। সকাল হতে দুপুর পর্যন্ত দৃষ্টিসীমা পর্যাপ্ত না হওয়ায় উড়োজাহাজ ওঠা-নামা ব্যহত হচ্ছে।’  এলাকায় শীতার্ত মানুষদের কাছ থেকে মিশ্র প্রতিক্রিয়ায় জানা গেছে, কেউ কোনো কম্বল সহায়তা দেয়নি এখনও। তবে নীলফামারীর জেলা প্রশাসক পঙ্কজ ঘোঘ জানিয়েছেন, ‘এ পর্যন্ত জেলায় ৪০ হাজার কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। শীতার্তদের জন্য নতুন করে আরও চাহিদা পাঠানো হয়েছে। কোথাও কোথাও খরকুটো জ্বালিয়ে আগুনের তাপ পোহাতে দেখা গেছে।