নেদারল্যান্ডসে শিশু ‘পাচারে’র বহু পুরনো ঘটনার তদন্তে বাংলাদেশ

অতিথি নিউজ ডেস্ক :

স্বাধীনতার পরে  বাংলাদেশ থেকে অনাথ ও যুদ্ধশিশুদেরকে বিদেশে পুনর্বাসনের সময়ে নেদারল্যান্ডসে নিয়ে যাওয়া হয়, যারা আদতে যুদ্ধশিশু বা অনাথ ছিলই না। প্রায় পঞ্চাশ বছর পরে তদন্ত  করে জানা যায় যে, বাবা-মাকে না জানিয়ে কিংবা তাদের অমতে সন্তানদের দত্তক হিসেবে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছিল । সেই সময় বাংলাদেশসহ পাঁচটি দেশ থেকে শিশুদের দত্তক নেবার ক্ষেত্রে নিয়মকানুন লঙ্ঘন করা হয়েছে এমন প্রমাণ পাওয়ার পর ২০২১ সালে বিদেশ থেকে শিশুদের দত্তক নেওয়া পুরোপুরি স্থগিত করে দেয় নেদারল্যান্ডস সরকার। কনা ভেরহেউলের কাহিনি "বছরের পর বছর মা আমাকে খুঁজে ফিরেছেন। আমাকে যেখানে হারিয়েছেন সেখানে আর থাকেননি তিনি। কিন্তু, মৃত্যুর আগে আগে সেই জায়গায় আবার এসেছিলেন।" "আমার বোনদের বলেছিলেন, যদি মেয়েটা ফিরে আসে, এখানেই আসবে সে।" "তার তিন মাস পরে মারা যান আমার মা।" কিন্তু জীবনের দীর্ঘ সময় পার করে তিনি জেনেছেন তার আসল বাবা-মায়ের পরিচয়। জেনেছেন তার নিজের নাম ছিল নাসিমা। তারপর, নিজের শেকড়ের কাছে পৌঁছেছেন যত দিনে, তার মা আর তখন বেঁচে নেই। “আমি তবু ভাগ্যবান, নিজের পরিবারকে ফিরে পেয়েছি। আর কাউকে যেন এসবের মধ্য দিয়ে যেতে না হয়। তাতে জীবনটা নড়বড়ে হয়ে যায়।” তবে বোন-ভাগ্নিদের কাছ থেকে কনা জেনেছেন, তার মা তাকে দত্তক দেননি। ত্যাগ করেননি সন্তানকে। তার সম্মতিই ছিল না দত্তকের ব্যাপারে।