বন্যা কবলিত এলাকায় সংকট নিরাপদ পানির
অতিথি নিউজ ডেস্ক :
লক্ষ্মীপুর: বন্যার ভয়বহতার কারনে দেখা গেছে নিরাপদ পানির সংকট । বন্যাদূর্গত এলাকায় শুধু পানি আর পানি। ঘরে ,বাইরে পানি, রাস্তায় পানি। পুরো এলাকা তলিয়ে আছে পানির নিচে। এতো পানির মাঝে সংকট সুপেয় পানির। একটি পরিবারে দৈনন্দিন পানযোগ্য পানির যে চাহিদা, তা পুরোপুরি মেটানো সম্ভব হচ্ছে না।
বন্যায় ঘরবাড়ি, জানমালের পাশাপাশি তলিয়ে গেছে নলকূপ। তাই নিরাপদ পানির অভাব দেখা দিয়েছে। চুলাও পানির নিচে। তাই ফুটিয়েও পানি পান করা যাচ্ছে না। ফলে বন্যা দুর্গত এলাকায় এখন পানযোগ্য পানির জন্য হাহাকার চলছে। তবে যে সব এলাকায় ত্রাণ পৌঁছায়, সেখানে বোতলজাত পানির দেখা পান বন্যার্তরা। যদিও তা প্রয়োজনের তুলনায় নগণ্য। এজন্য লোকজনও খুব বুঝে শুনে পানি পান করেন৷
গত কয়েকদিনে লক্ষ্মীপুরের বন্যা কবলিত এলাকা ঘুরে নিরাপদ পানির চরম সংকট লক্ষ্য করা গেছে। এলাকার প্রায় ৯০ শতাংশ নলকূপ পানিতে তলিয়ে থাকতে দেখা গেছে। কোথাও দু-একটি নলকূপ পানির ওপরে থাকলেও সেখানে হুমড়ি খেয়ে পড়ছেন দুর্গত এলাকার লোকজন৷ চারিদিকে অথৈ পানি। এর মধ্যে দূরদূরান্ত থেকে পানি বয়ে আনাও কষ্টসাধ্য।
দুর্গত এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তারা এখন পানযোগ্য পানি কম পাচ্ছেন। তাই কম কম করে পান করছেন পানি। অর্থকষ্টে থাকা কেউ কেউ দোকান থেকে বোতলজাত পানি কিনে নিচ্ছেন। তবে দোকানগুলোও বন্যাকবলিত হওয়ায় সরবরাহ কম। ফলে সেখানেও রয়েছে পানিসহ অন্যান্য পণ্যের ঘাটতি। কেউ কেউ বৃষ্টির পানি সংগ্রহ করছেন।
স্বেচ্ছাসেবীরা ত্রাণের প্যাকেটের সঙ্গে বোতলজাত পানিও দেয়। তবে তা যথেষ্ট নয়। ত্রাণ হিসেবে দুই এক বোতল পাই। আর বৃষ্টি হলে বৃষ্টির পানি সংগ্রহ করি।