ভোটারদের আস্থায় এগোচ্ছেন মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু
হামলা-মামলা, গ্রেপ্তার এবং দীর্ঘদিন কারাভোগ—রাজনীতির কঠিন বাস্তবতায় এসব বাধা পেরিয়েও থেমে থাকেননি বিএনপির নেতা মিয়া নুরুদ্দিন আহম্মদ অপু। সব প্রতিকূলতাকে পেছনে...
হামলা-মামলা, গ্রেপ্তার এবং দীর্ঘদিন কারাভোগ—রাজনীতির কঠিন বাস্তবতায় এসব বাধা পেরিয়েও থেমে থাকেননি বিএনপির নেতা মিয়া নুরুদ্দিন আহম্মদ অপু। সব প্রতিকূলতাকে পেছনে ফেলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আবারও ভোটারদের দুয়ারে হাজির হয়েছেন শরীয়তপুর–৩ আসনের এই বিএনপি প্রার্থী।
দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার পর থেকেই নির্বাচনী এলাকায় ব্যাপক গণসংযোগে ব্যস্ত সময় পার করছেন তিনি। গ্রাম থেকে গ্রাম, হাট-বাজার, চায়ের দোকান—কোনো স্থানই বাদ দিচ্ছেন না তিনি। সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলছেন, শুনছেন তাদের দীর্ঘদিনের সমস্যা ও প্রত্যাশার কথা এবং সেগুলো সমাধানে আন্তরিক আশ্বাস দিচ্ছেন।
বিশেষ করে এলাকার তরুণ সমাজের মধ্যে তাকে নিয়ে বাড়তি আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। রাজনৈতিক সহনশীলতা, ত্যাগী ভূমিকা এবং দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক অভিজ্ঞতার কারণে অনেক তরুণ ভোটার তাকে সম্ভাবনাময় প্রার্থী হিসেবে দেখছেন।
এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, অতীতে নানা নির্যাতনের শিকার হলেও তিনি কখনো জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হননি—এ বিষয়টি ভোটারদের কাছে ইতিবাচক বার্তা দিচ্ছে। অনেকেই মনে করছেন, মাঠে সক্রিয় উপস্থিতি ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ তাকে নির্বাচনি দৌড়ে এগিয়ে রাখছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় একাধিক বিএনপি নেতাকর্মী জানান, দলীয় দুঃসময়ে মিয়া নুরুদ্দিন আহম্মদ অপু সবসময় নেতাকর্মীদের পাশে ছিলেন। সেই ধারাবাহিকতার কারণেই এবার শরীয়তপুর–৩ আসনে তাকে ঘিরে আশাবাদী দলীয় সমর্থকরা।
নিজের নির্বাচনি সম্ভাবনা নিয়ে আশাবাদী এই বিএনপি প্রার্থী বলেন, জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থনই তার মূল শক্তি। এলাকার মানুষের রায়ে বিজয়ী হয়ে সংসদে গিয়ে শরীয়তপুর–৩ আসনের উন্নয়ন ও মানুষের অধিকার আদায়ে কাজ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।