নির্বাচনোত্তর সংবাদ সম্মেলনে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার অঙ্গীকার: চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুতির বার্তা তারেক রহমান
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষে রাজধানীর Hotel InterContinental Dhaka-এর বলরুমে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নির্বাচনে বিজয়ের পর ভবি...
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষে রাজধানীর Hotel InterContinental Dhaka-এর বলরুমে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নির্বাচনে বিজয়ের পর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরে। শনিবার বিকেলে অনুষ্ঠিত এই সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচনোত্তর পরিস্থিতি, সরকারের অগ্রাধিকার এবং জাতীয় চ্যালেঞ্জ নিয়ে বিস্তারিত বক্তব্য দেওয়া হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, যে কোনো মূল্যে দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা হবে। দেশের জনগণকে নির্বাচনে বিজয়ী করার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়ে এটিকে গণতন্ত্র, দেশ এবং গণতন্ত্রকামী মানুষের বিজয় হিসেবে উল্লেখ করা হয়। বক্তৃতায় আরও বলা হয়, জাতীয় ঐক্যই হবে ভবিষ্যৎ রাষ্ট্র পরিচালনার প্রধান শক্তি।
নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পর দলটি দীর্ঘ সময় পর রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নিতে যাচ্ছে বলে জানা গেছে। নির্বাচনের পর সংবাদ সম্মেলনে জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এটিকে বাংলাদেশ-এর গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রার নতুন ধাপ হিসেবে বর্ণনা করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে নতুন সরকারের সামনে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জের কথা তুলে ধরা হয়- ভঙ্গুর অর্থনীতি পুনরুদ্ধার,পুঁজির সংকট মোকাবিলা,ব্যাংকিং খাতে পর্যাপ্ত ঋণপ্রবাহ নিশ্চিত করা,বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি,রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা। বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচন শেষে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা নতুন সরকারের জন্য বড় অগ্রাধিকার হবে।
আরেক প্রশ্নে তারেক রহমান বলেন, আঞ্চলিক কূটনীতি ও দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা সার্ক পুনরুজ্জীবনের বিষয়ে তারেক রহমান বলেন, যেহেতু এই জোটের যাত্রা শুরু হয়েছিল বাংলাদেশের হাত ধরে, তাই বিএনপি সরকার চাইবে সার্ক আবার সক্রিয় ও কার্যকর হোক। তিনি বলেন, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার দূরত্ব কমিয়ে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ আলোচনার মাধ্যমে ইতিবাচক ভূমিকা রাখার চেষ্টা করবে। প্রয়োজনীয় সংস্কার কার্যক্রম হাতে নেওয়া হবে।
সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় ঐক্যের ওপর গুরুত্ব দিয়ে বলা হয়, বিভাজন দেশের জন্য ক্ষতিকর এবং ঐক্যই রাষ্ট্রের শক্তি। নির্বাচনের ফলাফলকে জনগণের রায় হিসেবে সম্মান জানিয়ে শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয়।