মাহে রমাদনের ৭ম দিন: রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের মাসে সুস্থ থাকার পরামর্শ
পবিত্র মাহে রমাদনের ৭ম দিন চলছে। রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের বার্তা নিয়ে আগত এই বরকতময় মাসে মুসলমানরা সিয়াম সাধনার মাধ্যমে আত্মসংযম ও তাকওয়া অর্জনের চেষ্টা করেন। স...
পবিত্র মাহে রমাদনের ৭ম দিন চলছে। রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের বার্তা নিয়ে আগত এই বরকতময় মাসে মুসলমানরা সিয়াম সাধনার মাধ্যমে আত্মসংযম ও তাকওয়া অর্জনের চেষ্টা করেন। সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার থেকে বিরত থাকার কারণে অনেকের শরীরে দুর্বলতা, মাথাব্যথা, গ্যাস্ট্রিক ও পানিশূন্যতার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, খাদ্যাভ্যাসে সচেতনতা ও সঠিক পরিকল্পনা থাকলে পুরো রমজানজুড়ে সুস্থ ও কর্মক্ষম থাকা সম্ভব। সেহরি দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খাবার হওয়ায় এ সময় জটিল শর্করা যেমন ভাত, রুটি বা ওটস, প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার যেমন ডিম, ডাল, দুধ বা দই, সঙ্গে শাকসবজি ও ফলমূল রাখা প্রয়োজন এবং পর্যাপ্ত পানি পান করা জরুরি।
অতিরিক্ত ভাজাপোড়া ও মসলাযুক্ত খাবার এড়িয়ে চললে সারাদিন পিপাসা কম লাগে। ইফতারে খেজুর ও পানি দিয়ে শুরু করে ধীরে ধীরে পরিমিত খাবার গ্রহণ করা ভালো; ফল, ছোলা ও সালাদ রাখা যেতে পারে, তবে অতিরিক্ত তেলেভাজা ও মিষ্টিজাতীয় খাবার কম খাওয়াই উত্তম।
ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত ৮–১০ গ্লাস পানি ধীরে ধীরে পান করলে পানিশূন্যতা এড়ানো যায় এবং কফি বা কোমল পানীয় কম খাওয়া উচিত। রাতে তারাবির নামাজ ও সেহরির কারণে ঘুমের সময় কমে যাওয়ায় দিনে কিছুটা বিশ্রাম নেওয়া উপকারী।
রমজানের প্রথম কয়েকদিন ক্লান্তি অনুভূত হলেও ধীরে ধীরে শরীর নতুন খাদ্যসূচির সঙ্গে অভ্যস্ত হয়ে ওঠে। নিয়মিত ও পরিমিত খাবার, পর্যাপ্ত পানি পান এবং সঠিক বিশ্রামের মাধ্যমে ইবাদতের এই মাসে সুস্থ ও শক্তিশালী থাকা সম্ভব।