আগামীর কর্মসংস্থানে গণমুখী প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছে ‘অতিথি গ্রুপ’
আধুনিক অর্থনীতির এই বিকাশমান যুগে প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ও গণমুখী ব্যবহারের মাধ্যমে নাগরিক জীবনযাত্রাকে সহজ করার পাশাপাশি দেশে টেকসই কর্মসংস্থান তৈরিতে বড় ভূমিকা র...
আধুনিক অর্থনীতির এই বিকাশমান যুগে প্রযুক্তির
সর্বোচ্চ ও গণমুখী ব্যবহারের মাধ্যমে নাগরিক জীবনযাত্রাকে সহজ করার পাশাপাশি দেশে টেকসই
কর্মসংস্থান তৈরিতে বড় ভূমিকা রাখছে দেশীয় প্রতিষ্ঠান অতিথি গ্রুপ। বৈশ্বিক বাজার ও
প্রথাগত শ্রমবাজারের নানামুখী পরিবর্তনের মধ্যে প্রযুক্তিভিত্তিক এই প্রতিষ্ঠানটি ইতোমধ্যে
হাজার হাজার তরুণ উদ্যোক্তা ও ফ্রিল্যান্সারের আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছে। আগামী ২০৩০
সালের মধ্যে দেশের সামষ্টিক অর্থনীতিকে স্বনির্ভর, স্মার্ট ও জ্ঞানভিত্তিক রূপান্তরে
এই উদ্যোগটি অত্যন্ত সুদূরপ্রসারী অবদান রাখবে বলে মনে করছেন খাত সংশ্লিষ্টরা।প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলদের সাথে আলাপকালে
জানা যায়, কেবল ব্যবসায়িক মুনাফা নয়, বরং দেশের তরুণ প্রজন্মকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর
করাই তাদের অন্যতম মূল লক্ষ্য। বর্তমান বৈশ্বিক বাজারের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় ফ্রন্টলাইন
কর্মী থেকে শুরু করে ব্যবস্থাপনা পর্যায় ছাড়াও উদ্যোক্তাদের নিয়মিত আন্তর্জাতিক মানের
প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। প্রযুক্তি এবং মেধার এই মেলবন্ধন সবাইকে আত্মবিশ্বাসী ও স্বাবলম্বী
করে তুলছে, যা দেশের শ্রমবাজারের গুণগত পরিবর্তনে বড় ভূমিকা রাখছে।অতিথি অ্যাপস’র বিদ্যমান সেবাসমূহের
পাশাপাশি সম্প্রতি যুক্ত হওয়া নতুন তিনটি ফ্ল্যাগশিপ সেবা যেমন রাইড শেয়ারিং, ফুড ডেলিভারি
ও দূরবর্তী চিকিৎসকের পরামর্শ বা 'টেলিডক্টর' সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনকে আরও গতিশীল,
সাশ্রয়ী ও সুরক্ষিত করে তুলেছে। এই বহুমাত্রিক সেবাসমূহ কেবল নাগরিক ভোগান্তিই কমাবে
না, বরং চালক, ডেলিভারি পার্টনার এবং স্বাস্থ্য খাতের পেশাজীবীদের জন্য ব্যাপক প্রাতিষ্ঠানিক
কর্মসংস্থানের নতুন দুয়ার উন্মোচন করছে। তাদের এই সুপরিকল্পিত ব্যবসায়িক মডেলটি প্রত্যক্ষ
কর্মসংস্থানের পাশাপাশি পরোক্ষভাবে অসংখ্য উদ্যোক্তা তৈরিতেও সহায়ক ভূমিকা পালন করছে।আগামী দশকের মধ্যে এই কর্মসংস্থানের সংখ্যাটিকে
দশ লক্ষাধিক-এ উন্নীত করার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি। সংশ্লিষ্টরা
জানান, এই উদ্যোগ গ্রামীণ ও নগর উভয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক বৈষম্য দূর করতে কার্যকর অবদান
রাখবে। দেশের সীমানা ছাড়িয়ে খুব শীঘ্রই আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে এই বহুমুখী সেবা সম্প্রসারণের
পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়েছে, যা বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও উদ্ভাবনী
ক্ষমতাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে। গ্লোবাল প্ল্যাটফর্মে এই পদার্পণ দেশের জন্য বিপুল
বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের পাশাপাশি বৈশ্বিক মানের ক্যারিয়ার গড়ার এক অভূতপূর্ব সুযোগ
তৈরি করবে বলে আশা করা হচ্ছে।বিশ্লেষকদের মতে, জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন
লক্ষ্যমাত্রা অর্জন এবং দেশের প্রতিটি পরিবারে কর্মসংস্থান পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে এমন
দেশীয় উদ্ভাবনী উদ্যোগের বিকল্প নেই। নিজস্ব মানসম্মত সেবা, ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি
ও নতুন উদ্যোক্তা তৈরির মাধ্যমে অতিথি গ্রুপ বাজারে যে আস্থার জায়গা তৈরি করেছে, তা
তরুণদের জন্য দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক স্বাবলম্বিতা অর্জনে বড় অবদান রাখছে। রাষ্ট্রীয় লক্ষ্যমাত্রা
বাস্তবায়নের পাশাপাশি একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনে প্রতিষ্ঠানটি একটি শক্তিশালী
স্তম্ভ হিসেবে কাজ করছে। সৃজনশীল সমাধান, সেবার আধুনিকায়ন আর দায়বদ্ধতা বজায় রেখে অতিথি
গ্রুপ আগামী দিনের কর্মসংস্থান বাজারে এক অনবদ্য ও সুদূরপ্রসারী ভূমিকা রাখবে এটাই
বর্তমান সময়ের জোরালো দাবি।