আপনার স্বপ্ন ও সঞ্চয়ের সুরক্ষিত ঠিকানা অতিথি সিটি এন্ড রিসোর্ট
ব্যস্ত নাগরিক জীবনের কোলাহল ছেড়ে একটুখানি সবুজের ছোঁয়া আর শান্ত পরিবেশের খোঁজ সবারই থাকে। এই আকাঙ্ক্ষাকে বাস্তবে রূপ দিতে এবং একই সাথে একটি টেকসই আয়ের মাধ্যম তৈ...
ব্যস্ত নাগরিক জীবনের কোলাহল ছেড়ে একটুখানি
সবুজের ছোঁয়া আর শান্ত পরিবেশের খোঁজ সবারই থাকে। এই আকাঙ্ক্ষাকে বাস্তবে রূপ দিতে
এবং একই সাথে একটি টেকসই আয়ের মাধ্যম তৈরি করতে কাজ করে যাচ্ছে অতিথি সিটি এন্ড রিসোর্ট।
এই প্রতিষ্ঠানটি মূলত মুন্সিগঞ্জের সিরাজদীখানের শেখর নগর এলাকায় বিশাল বাজেট নিয়ে
একটি বিশ্বমানের ফ্যামিলি ফ্রেন্ডলি ইকো-রিসোর্ট এবং থিম পার্ক নির্মাণ করছে। এটি শুধু
ঘুরে বেড়ানোর একটি সাধারণ স্পট নয়, বরং এটি একটি সুপরিকল্পিত দীর্ঘমেয়াদী লাইফস্টাইল
ও ইনভেস্টমেন্ট প্রজেক্ট হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে।এই প্রকল্পের সবচেয়ে আকর্ষণীয় কার্যক্রম হলো
এর সহ-মালিকানা বা শেয়ার্ড ওনারশিপ মডেল, যা দেশের পর্যটন ও আবাসন খাতে এক নতুন মাত্রা
যোগ করেছে। এখানে সাধারণ নাগরিক বা ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা মাত্র ৩,১০,০০০ টাকার বিনিময়ে
রিসোর্ট ও থিম পার্কের জমির যৌথ মালিকানা সম্পূর্ণ সরকারি নিয়মে রেজিস্ট্রেশন করে নিতে
পারেন। ফলে এককভাবে বিশাল পুঁজি না খাটিয়েও একটি বড় রিসোর্ট প্রজেক্টের অংশীদার হওয়া
সম্ভব হচ্ছে। বিনিয়োগকারীদের জন্য অতিথি সিটি এন্ড রিসোর্ট একটি সুনির্দিষ্ট ও নিরাপদ
আয়ের ব্যবস্থা রেখেছে, যেখানে রিসোর্টটি বাণিজ্যিকভাবে চালু হওয়ার পর এর অর্জিত লভ্যাংশ
থেকে শেয়ার মালিকদের প্রতি মাসে আকর্ষণীয় ও সুদ-মুক্ত হালাল মুনাফা প্রদান করা হচ্ছে।
এমনকি অনেক সাধারণ গৃহিণী ও চাকুরিজীবীও এখানে বিনিয়োগ করে স্বাবলম্বী হচ্ছেন।রিয়েল এস্টেট বা রিসোর্ট খাতে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে
অনেকের মনেই ঝুঁকি বা অনিশ্চয়তা থাকে, আর এই ভয় দূর করতে প্রতিষ্ঠানটি দিচ্ছে শতভাগ
বাইব্যাক গ্যারান্টি। অর্থাৎ, কোনো বিনিয়োগকারী যদি ভবিষ্যতে তার মালিকানা হস্তান্তর
বা বিক্রি করতে চান, তবে প্রতিষ্ঠানটি সম্পূর্ণ বিনিয়োগকৃত টাকা ফেরত দিয়ে সেই শেয়ার
নিজেই কিনে নেওয়ার আইনগত নিশ্চয়তা দেয়। যারা এই রিসোর্টের শেয়ার কিনছেন, তারা কেবল
লভ্যাংশই পান না, বরং তারা পান রাজকীয় আতিথেয়তা। সুবিধা হিসেবে প্রতি বছর পরিবারসহ
দুই রাত বিনামূল্যে কাটানোর সুযোগের পাশাপাশি রিসোর্টের রুম বুকিং এবং থিম পার্কের
এন্ট্রি টিকিটের ওপর আজীবন পঞ্চাশ শতাংশ পর্যন্ত বিশেষ ছাড় উপভোগ করা যায়। সবচেয়ে বড়
বিষয় হলো, এই মালিকানা ও সুযোগ-সুবিধাগুলো পরবর্তী প্রজন্মের কাছেও হস্তান্তরযোগ্য।মুন্সিগঞ্জের শেখর নগরে গড়ে ওঠা এই প্রকল্পটি
শহরের কোলাহলমুক্ত হলেও যোগাযোগ ব্যবস্থায় অত্যন্ত সুবিধাজনক এবং ঢাকার কাছাকাছি হওয়ায়
যাতায়াতও বেশ সহজ। সম্পূর্ণ প্রকল্পটি একটি পারিবারিক পরিবেশ মাথায় রেখে ডিজাইন করা
হচ্ছে, যেখানে থাকবে সবুজ পরিবেশ, শিশুদের খেলার জায়গা, রাইড এবং আধুনিক কটেজ। প্রথাগত
ব্যাংকিং ব্যবস্থার বাইরে এসে যারা মুদ্রাস্ফীতির হাত থেকে নিজের সঞ্চয়কে বাঁচাতে চান
এবং একই সাথে একটি চমৎকার অবকাশ যাপন কেন্দ্রের মালিক হতে চান, তাদের জন্য অতিথি সিটি
এন্ড রিসোর্ট একটি আস্থার নাম হয়ে উঠেছে, যা বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পকে আরও আধুনিক
এবং সর্বজনীন করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।