বাড়ছে দেশের বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ

বর্তমানে দেশের বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ ৩৪ দশমিক ২৫ বিলিয়ন ডলার। বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভ ছিল ২৯ দশমিক ৬১ বিলিয়ন ডলার। প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স ভর করে দেশের...

বর্তমানে দেশের বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ ৩৪ দশমিক ২৫ বিলিয়ন ডলার। বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভ ছিল ২৯ দশমিক ৬১ বিলিয়ন ডলার। প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স ভর করে দেশের বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ বাড়ছে।বাংলাদেশে ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে বেশি করে রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। ঈদুল ফিতরের সময় রেমিট্যান্স অবশ্যই বাড়ে। তবে এবার যেহেতু মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ চলছে, অনেক প্রবাসী কর্মী হয়তো তাদের জমানো টাকা দেশে তাদের স্বজনদের কাছে একবারে পাঠিয়ে দিচ্ছেন, এ কারণেও রেমিট্যান্স বাড়তে পারে। তাছাড়া এই যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে হুন্ডি-হাওলার প্রতি মানুষের আস্থাটা কিছুটা কমতে পারে। এটা এই মুহুর্তে তাদের কাছে অনেক বড় ঝুঁকি মনে হতে পারে। একারণে নিরাপদে টাকা পাঠানোর জন্য তারা ব্যাংকিং চ্যানেল বেছে নেবেন এটাই স্বাভাবিক। এসব তথ্য জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান।প্রাপ্ত তথ্যে আরও দেখা যায়, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে (জুলাই-মার্চ) দুই হাজার ৬২০ কোটি ৭৬ লাখ ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। এর আগের অর্থবছরের জুলাই-মার্চ সময়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ২ হাজার ১৭৮ কোটি ৪৩ লাখ ডলার। সেই হিসেবে চলতি অর্থবছরের ৯ মাসে রেমিট্যান্সে প্রবৃদ্ধি ২০ দশমিক ৩০ শতাংশ। গত ফেব্রুয়ারিতে রেমিট্যন্স এসেছিল ৩০১ কোটি ৯৭ লাখ ডলার। আর আলোচিত মার্চ মাসে ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ৫০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। এর আগে একক কোনো মাসে এত বেশি রেমিট্যান্স দেশে আসেনি। ফেব্রুয়ারি মাসে আসা রেমিট্যান্সের তুলনায় মার্চ মাসে রেমিট্যান্স বেড়েছে ২৪ দশমিক ৩৪ শতাংশ। গত ফেব্রুয়ারি মাসে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের আক্রমনের মধ্যে দিয়ে শুরু হওয়া যুদ্ধ দ্রুতই গোটা মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে পড়ে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের মধ্যেও সদ্য বিদায়ী মার্চ মাসে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সে বড় প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। যা এক নতুন রেকর্ড গড়েছে।