বিতর্কিত রানআউট ঘিরে উত্তাপ,বাংলাদেশের পাকিস্তান ম্যাচ

ক্রিকেটের আইনের দিক থেকে ঘটনাটি বাংলাদেশের অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মীরাজ এর পক্ষেই ছিল। নিয়ম অনুযায়ী, ব্যাটসম্যানের ব্যাট ছুঁয়ে আসা বল ‘ডেড’ না হওয়া পর্যন্ত নন...

ক্রিকেটের আইনের দিক থেকে ঘটনাটি বাংলাদেশের অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মীরাজ এর পক্ষেই ছিল। নিয়ম অনুযায়ী, ব্যাটসম্যানের ব্যাট ছুঁয়ে আসা বল ‘ডেড’ না হওয়া পর্যন্ত নন স্ট্রাইকে থাকা ব্যাটসম্যান সেটি হাতে নিতে পারেন না। কিন্তু পাকিস্তানের ব্যাটসম্যান  সালমান আলী আঘা সেই বল হাতে তুলে নেন। ফলে ফিল্ডিংয়ে বাধা দেওয়ার অভিযোগে বাংলাদেশ চাইলে তাঁর বিরুদ্ধে আউটের আবেদনও করতে পারত। তবে ঘটনাটি ভিন্ন দিকে মোড় নেয় যখন মিরাজ সুযোগ বুঝে সালমানকে রানআউট করে দেন। রানআউট হওয়ার পরই ক্ষোভ প্রকাশ করেন সালমান। মাঠেই কিছুটা উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয়, যার প্রতিক্রিয়া দেখা যায় বাংলাদেশ শিবিরেও। ক্রিকেটীয় ব্যাখ্যায় অনেকেই বলছেন, যদি ওই মুহূর্তে সালমান কোনো কারণে চোট পেয়ে উইকেটে ফিরতে না পারতেন, তাহলে হয়তো মিরাজ তাঁকে রানআউট না করার ‘মহানুভবতা’ দেখাতে পারতেন। কিন্তু খেলার নিয়ম অনুযায়ী ওই সিদ্ধান্ত পুরোপুরিই বৈধ ছিল। পাকিস্তানের সহজ জয়ের ম্যাচটি শেষ পর্যন্ত আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসে এই বিতর্কিত রানআউটের কারণেই। ম্যাচে আগে ব্যাট করে পাকিস্তান তোলে ২৭৪ রান। সেই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। মাত্র ১৫ রানের মধ্যেই তিনটি উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় স্বাগতিকরা।  এদিকে রানআউটের ঘটনাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও শুরু হয়েছে আলোচনা সমালোচনা। কেউ নিয়মের দিকটি তুলে ধরে মিরাজের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করছেন, আবার কেউ খেলোয়াড়সুলভ আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন।