ব্রাজিলকে হারানোর সম্ভাবনা কম,উপভোগ করতেই নামব;হালান্ড
বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে এবার ফুটবল পরাশক্তি ব্রাজিলের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে নরওয়ে। শক্তির বিচারে সেলেসাওদেরই এগিয়ে রাখছেন নরওয়ের অধিনায়ক ও তারকা স্ট্রাইকার আর্লিং হ...
বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে এবার ফুটবল পরাশক্তি
ব্রাজিলের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে নরওয়ে। শক্তির বিচারে সেলেসাওদেরই এগিয়ে রাখছেন নরওয়ের
অধিনায়ক ও তারকা স্ট্রাইকার আর্লিং হালান্ড। তবে সম্ভাবনা কম হলেও লড়াইয়ের আগে আত্মবিশ্বাস
হারাচ্ছে না স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দলটি।ব্রাজিলের বিপক্ষে নরওয়ের জয়ের সম্ভাবনা সম্পর্কে
জানতে চাইলে হালান্ড সোজাসাপ্টা বলেন, “সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ।” এরপরই তিনি যোগ করেন, “শেষ ষোলো পর্যন্ত পৌঁছানোই অনেকের প্রত্যাশার বাইরে ছিল। এখন ব্রাজিলের মতো
পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নের বিপক্ষে খেলব, এটি আমাদের জন্য বিশাল একটি চ্যালেঞ্জ।”আইভরি কোস্টকে হারিয়ে নকআউটে জায়গা নিশ্চিত
করার পর আবেগাপ্লুত হালান্ড বলেন, “এটি আমাদের ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা মুহূর্ত। ২৮ বছর পর আমরা বিশ্বকাপে ফিরেছি,
গ্রুপ পর্ব পেরিয়েছি এবং এখন ব্রাজিলের বিপক্ষে শেষ ষোলোর ম্যাচ খেলতে যাচ্ছি। অনুভূতিটা
সত্যিই অবিশ্বাস্য।”ম্যানচেস্টার সিটির এই তারকা ফরোয়ার্ডের মতে,
এখন আর নরওয়ের ওপর কোনো চাপ নেই। তিনি বলেন, “এখন থেকে যা-ই হবে, সবই আমাদের জন্য বাড়তি অর্জন। আমরা নির্ভার হয়ে খেলতে পারব
এবং প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করব। এমন অভিজ্ঞতা জীবনে বারবার আসে না।”তবে ইতিহাস নরওয়েকে কিছুটা হলেও অনুপ্রেরণা
দিতে পারে। ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বে ব্রাজিলকে ২-১ গোলে হারিয়ে বড় চমক দেখিয়েছিল
ইউরোপের দলটি। যদিও সেই আসরে ব্রাজিল ফাইনালে উঠেছিল, শেষ পর্যন্ত স্বাগতিক ফ্রান্সের
কাছে হেরে রানার্সআপ হয়।
এবারের লড়াইয়েও কাগজে-কলমে ব্রাজিলই স্পষ্ট ফেবারিট।
কিন্তু নরওয়ে বিশ্বাস করে, ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চে অসম্ভব বলে কিছু নেই। তাই নির্ভার
মনেই ইতিহাস গড়ার স্বপ্ন নিয়ে মাঠে নামবে হালান্ডরা।