বরিশালে অতিথি গ্রুপের প্রযুক্তিভিত্তিক বিশেষ প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত
মোঃ হাসান আল শাহাজাদাদেশীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মানসম্মত সেবা প্রদানের পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখ...
মোঃ
হাসান আল শাহাজাদাদেশীয়
ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মানসম্মত সেবা প্রদানের পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং
সামগ্রিক অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে দেশের সুপরিচিত অনলাইন বুকিং
প্ল্যাটফর্ম অতিথি গ্রুপ। আধুনিক কর্পোরেট বিশ্বের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের
উপযোগী দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার লক্ষ্যে বরিশালে অনুষ্ঠিত হয়েছে প্রযুক্তিভিত্তিক
বিশেষ প্রোগ্রাম ও এসএম-বিডিএম মিটিং।সোমবার
(২৮ সেপ্টেম্বর) অতিথি গ্রুপের বরিশাল বিভাগীয় অফিসে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি
হিসেবে বক্তব্য রাখেন অতিথি গ্রুপের চেয়ারম্যান লায়ন সাইফুল ইসলাম সোহেল (পিএমজেএফ)।অনুষ্ঠানে
সভাপতিত্ব করেন অতিথি গ্রুপের জিএম (ডেভেলপমেন্ট) লায়ন অনিক তালুকদার। এ সময় বরিশাল
বিভাগীয় অফিসের এজিএস, ডিজিএমসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং শতাধিক অতিথি
উপস্থিত ছিলেন।প্রধান
অতিথির বক্তব্যে লায়ন সাইফুল ইসলাম সোহেল বলেন, প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তনের সঙ্গে
তাল মিলিয়ে নিজেদের দক্ষতা ও কর্মদক্ষতা বাড়াতে হবে। চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চ্যালেঞ্জ
মোকাবিলায় আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জনের কোনো বিকল্প নেই। অতিথি গ্রুপ
দেশীয় সেবার মান উন্নয়নের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পরিসরে নিজেদের কার্যক্রম সম্প্রসারণ
এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে কাজ করে যাচ্ছে।তিনি
আরও বলেন, একটি প্রতিষ্ঠানের অগ্রগতির মূল শক্তি তার দক্ষ ও দায়িত্বশীল মানবসম্পদ।
তাই কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তিগত দক্ষতা বৃদ্ধি এবং পারস্পরিক সমন্বয়ের
মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানকে আরও এগিয়ে নিতে হবে।সভাপতির
বক্তব্যে লায়ন অনিক তালুকদার বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক কর্মপরিবেশে সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত,
দক্ষ নেতৃত্ব ও দলগত সমন্বয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অতিথি গ্রুপের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল
ও সেবামুখী করতে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান
তিনি।অনুষ্ঠানে
অতিথি গ্রুপের চলমান কার্যক্রম, প্রযুক্তিনির্ভর সেবা, ব্যবসায়িক উন্নয়ন, গ্রাহকসেবা
এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি এসএম ও বিডিএম পর্যায়ের কার্যক্রম
আরও গতিশীল করা, পারস্পরিক সমন্বয় বৃদ্ধি এবং নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জনে কার্যকর পদক্ষেপ
গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।