চট্টগ্রামমুখী ৬২ হাজার টন এলএনজি ট্যাংকার আটকে পারস্য উপসাগরে

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রভাব এবার পড়েছে জ্বালানি সরবরাহেও। কাতার থেকে বাংলাদেশের জন্য আসা একটি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) ট্যাংকার পারস্য উপসাগরে আ...

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রভাব এবার পড়েছে জ্বালানি সরবরাহেও। কাতার থেকে বাংলাদেশের জন্য আসা একটি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) ট্যাংকার পারস্য উপসাগরে আটকে পড়েছে। জানা গেছে, কাতারের রাস লাফান বন্দর থেকে প্রায় ৬২ হাজার টন এলএনজি নিয়ে চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা ছিল ‘লিব্রেথা’ নামের একটি ট্যাংকারের। তবে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিকে ঘিরে ইরন  কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ ঘোষণা করায় জাহাজটি এখনও পারস্য উপসাগরেই অবস্থান করছে। সাধারণত পারস্য উপসাগর থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে তেল ও গ্যাসবাহী জাহাজ চলাচলের প্রধান পথ এই হরমুজ প্রণালি। কিন্তু নিরাপত্তাজনিত কারণে প্রণালিতে স্বাভাবিক জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় ‘লিব্রেথা’ ট্যাংকারটি চট্টগ্রামের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করতে পারেনি। জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ট্যাংকারটি পারস্য উপসাগরেই অপেক্ষা করবে। প্রণালিতে নিরাপদ নৌ চলাচল শুরু হলেই জাহাজটি বাংলাদেশের দিকে যাত্রা করবে। বাংলাদেশের জ্বালানি চাহিদা পূরণে কাতার থেকে নিয়মিত এলএনজি আমদানি করা হয়। ফলে হরমুজ প্রণালিতে চলাচল বিঘ্নিত হলে এলএনজি সরবরাহে সাময়িক অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহ শৃঙ্খলেও এর প্রভাব পড়তে পারে, যার প্রভাব বাংলাদেশের জ্বালানি বাজারেও দেখা দিতে পারে।