দারিদ্র্য বিমোচনে অনুদান নয়, প্রয়োজন টেকসই কর্মসংস্থান: লায়ন সাইফুল ইসলাম সোহেল
সাময়িক ত্রাণ বা অনুদান দিয়ে দীর্ঘমেয়াদে অভাব দূর করা সম্ভব নয়, বরং স্থায়ী সমাধানের জন্য স্বাবলম্বী আয়ের উৎস তৈরি করাই এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি। আজ ১৭ অক্টোবর ‘আ...
সাময়িক
ত্রাণ বা অনুদান দিয়ে দীর্ঘমেয়াদে অভাব দূর করা সম্ভব নয়, বরং স্থায়ী সমাধানের জন্য
স্বাবলম্বী আয়ের উৎস তৈরি করাই এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি। আজ ১৭ অক্টোবর ‘আন্তর্জাতিক দারিদ্র্য বিমোচন দিবস’ উপলক্ষে দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট বিশ্লেষণে
এমন অভিমত ব্যক্ত করেছেন সংশ্লিষ্ট খাতের গবেষক ও শীর্ষস্থানীয় উদ্যোক্তারা। তাদের
মতে, প্রথাগত সাহায্যনির্ভর মানসিকতা থেকে বেরিয়ে এসে সুবিধাবঞ্চিত মানুষকে উৎপাদনমুখী
কর্মক্ষম করে তোলাই হবে মূল চ্যালেঞ্জ।এই
লক্ষ্যকে সামনে রেখে দেশীয় অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ‘অতিথি গ্রুপ’
ব্যবসা পরিচালনার পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে দারিদ্র্য দূরীকরণে এক
অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। উদ্যোক্তা লায়ন সাইফুল ইসলাম সোহেলের হাত ধরে প্রতিষ্ঠানটি
শুধু কর্পোরেট মুনাফাই নয়, বরং প্রযুক্তিনির্ভর সেবার পরিধি বাড়িয়ে সমাজের প্রান্তিক
ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর জন্য স্থায়ী আয়ের উৎস তৈরিতে নিবিড়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে।এ
বিষয়ে অতিথি গ্রুপের চেয়ারম্যান লায়ন সাইফুল ইসলাম সোহেল বলেন, দারিদ্র্য কেবল সাময়িক
অর্থের অভাব নয়, এটি মূলত মানুষের মৌলিক অধিকার ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লড়াই।
শুধু অনুদান দিয়ে কাউকে চিরতরে স্বাবলম্বী করা যায় না। এর জন্য প্রয়োজন কারিগরি শিক্ষা,
যুগোপযোগী প্রশিক্ষণ এবং নিয়মিত আয়ের নিশ্চয়তা। আমাদের প্রতিষ্ঠান শুরু থেকেই এই ধারণায়
বিশ্বাসী। আমরা আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সমন্বয়ে হাজারো মানুষের আয়ের ব্যবস্থা করতে পেরেছি,
যা তাদের অনগ্রসরতার বৃত্ত থেকে বের করে আনছে।অর্থনৈতিক
বিশ্লেষকরা বলছেন, বর্তমান যুগে আধুনিক অর্থনীতি ও সেবামূলক প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার
প্রান্তিক মানুষের ভাগ্য বদলে দিতে পারে। দেশের বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠীকে যদি দক্ষ মানবসম্পদে
রূপান্তর করা যায়, তবে তারা নিজেরাই নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারবে।অতিথি
গ্রুপের চেয়ারম্যান আরও যোগ করেন, ব্যবসায়িক প্রসারের পাশাপাশি সামাজিক কল্যাণের মেলবন্ধন
ঘটানো অত্যন্ত জরুরি। কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো যদি শুধু আর্থিক সাহায্য দেওয়ার প্রথা
থেকে বেরিয়ে এসে সাধারণ মানুষের স্বনির্ভর হওয়ার পথ সুগম করে, তবে একটি বৈষম্যহীন বাংলাদেশ
গড়ে তোলা সম্ভব। আমরা আগামীতেও আমাদের এই অনলাইন সেবার আওতা বাড়িয়ে নতুন নতুন কর্মসংস্থান
সৃষ্টির ধারাকে আরও বেগবান করতে বদ্ধপরিকর।
আন্তর্জাতিক
দারিদ্র্য বিমোচন দিবসের মূল লক্ষ্য অর্জনে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি খাত,
বিত্তবান শ্রেণী এবং তরুণ সমাজকে একসঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান এই উদ্যোক্তা।