জুলাই যোদ্ধাদের পাশে থাকবে সরকার : প্রধানমন্ত্রী
বর্তমান সরকার সব সময় জুলাই যোদ্ধাদের পাশে থাকবে। গত ০৫ এপ্রিল ২০২৬ রোববার সন্ধ্যায় জাতীয় সংসদ অধিবেশনের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রমের বিরতির ফাঁকে দর্শক গ্যালারিতে থাক...
বর্তমান
সরকার সব সময় জুলাই যোদ্ধাদের পাশে থাকবে। গত ০৫ এপ্রিল ২০২৬ রোববার সন্ধ্যায় জাতীয়
সংসদ অধিবেশনের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রমের বিরতির ফাঁকে দর্শক গ্যালারিতে থাকা জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে
শহীদ হওয়া পরিবারের সদস্য ও আহত ব্যক্তিদের কাছে যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং
আবেগঘন পরিবেশের মধ্যে তিনি একথা বলেন।প্রধানমন্ত্রীর
অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, সারা দেশ থেকে আসা প্রায় ৬০ জন জুলাই
গণ-আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত পরিবারের সদস্য এ সময় সংসদের দর্শক গ্যালারিতে উপস্থিত
ছিলেন। এর মধ্যে ২৬ জন শহীদ পরিবারের সদস্য, অন্য সবাই জুলাই গণ-আন্দোলনে সরাসরি অংশ
নিয়ে আহত হয়েছিলেন। অনেকেই এখনো চিকিৎসা নিচ্ছেন। তাঁরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁদের
দুঃখ-দুর্দশার কথা তুলে ধরেন।জাতীয়
সংসদের অধিবেশনকক্ষে ব্যস্ততার চাপে যেখানে রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিটি মুহূর্ত হিসাব
কষে ব্যয় করতে হয়, সেখানে হঠাৎই এক মানবিক দৃশ্যের অবতারণা হলো। ক্ষমতার আসন ছেড়ে মানুষের
কাছে যাওয়ার এক অনন্য উদাহরণ। কোনো প্রটোকলের দূরত্ব নয়; বরং একেবারে কাছাকাছি গিয়ে
প্রধানমন্ত্রী একে একে কথা বলেন সবার সঙ্গে। সেখানে আনুষ্ঠানিকতা আর দূরত্বের দেয়াল
ভেঙে তৈরি হয় এক আন্তরিকতার পরিবেশ। অনেকের চোখে এখনো না শুকানো বেদনার ছাপ, কারও মুখে
ক্লান্তির ছায়া। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একে একে সবার খোঁজখবর নেন। কারও সন্তানের
কথা শুনে থমকে যান, কারও চিকিৎসার অগ্রগতি জানতে চান, আবার কারও কাঁধে হাত রেখে সান্ত্বনা
দেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর কথায় ছিল সহমর্মিতা, চোখে ছিল গভীর মনোযোগ, যেন রাষ্ট্রপ্রধান
নন, একজন পরিবারের সদস্য হয়ে শুনছেন তাঁদের দুঃখ-দুর্দশার কথা।জাতীয়
সংসদের অধিবেশনকক্ষের আনুষ্ঠানিকতা আর রাজনৈতিক বক্তব্যের বাইরে এই সংক্ষিপ্ত মুহূর্ত
যেন অন্য এক বার্তা বহন করল, রাষ্ট্র শুধু নীতিনির্ধারণে সীমাবদ্ধ নয়, মানুষের পাশে
দাঁড়ানোর মধ্যেই তার প্রকৃত শক্তি। বিরতির এ অল্প সময়টুকুতে প্রধানমন্ত্রী যেন বুঝিয়ে
দিলেন, দায়িত্ব শুধু প্রশাসনিক নয়, মানবিকও।