খাল-নদী-জলাশয় দখল রোধের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
দেশের ৫৪টি জেলায় ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে খাল ও নদী পুনঃখনন কার্যক্রম। স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে কার্যক্রম বাস্তবায়ন এবং পুনঃদখল রোধে মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে। দ...
দেশের
৫৪টি জেলায় ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে খাল ও নদী পুনঃখনন কার্যক্রম। স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত
করে কার্যক্রম বাস্তবায়ন এবং পুনঃদখল রোধে মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে। দিনাজপুরের কাহারুল
উপজেলায় একটি খাল খনন প্রকল্প ইতোমধ্যেই উদ্বোধন করা হয়েছে এবং কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
দেশব্যাপী খাল খনন ও পুনঃখনন কার্যক্রম ত্বরান্বিত করতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
চলতি মাসে ঝিনাইদহের শৈলকূপা ও ফেনী জেলায় দুটি নতুন খাল খনন প্রকল্প উদ্বোধন করবেন।
০১
এপ্রিল ২০২৬ বুধবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক শেষে বেরিয়ে যাওয়ার
সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি
এ কথা জানান। তিনি আরও বলেন, কলকারখানার বর্জ্য, অবৈধ স্থাপনা ও দখলমুক্তকরণের মাধ্যমে
১৮০ দিনের চলমান কর্মসূচি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করতে সরকারের সব ধরনের পদক্ষেপ
নেওয়া হচ্ছে। শহীদ
প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যেমন বাংলাদেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করেছিলেন খাল খননের
মধ্য দিয়ে , তেমনই তারেক রহমানের সরকারও ইনশাআল্লাহ দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করবে।
বুধবার (০১ এপ্রিল) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত এক সভা শেষে পানিসম্পদ
প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।তিনি
আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী দখল ও ভরাট ঠেকাতে জেলা প্রশাসক ও পানিসম্পদ
মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের দিয়ে মনিটরিং সেলের মাধ্যমে শক্ত হাতে আমরা এটা নিয়ন্ত্রণ
করব। এখন যে কাজটা (খাল খনন কর্মসূচি) শুরু করেছি, এটা কিন্তু আমরা শক্তভাবে এবং স্ব-স্ব
এলাকার জনগণকে সম্পৃক্ত করে বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করছি।
বিগত
দিনের মতো কেউ যেন আর খাল, নদী, জলাশয় দখল করতে না পারে তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের
নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।