কর্মমুখী শিক্ষায় স্বাবলম্বী প্রজন্ম গড়ার প্রত্যয়ে লায়ন সাইফুল ইসলাম সোহেল
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকাদেশের তরুণ সমাজকে যুগোপযোগী ও দক্ষ জনসম্পদে রূপান্তর এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রত্যয় নিয়ে রাজধানী ঢাকায় অনুষ্ঠিত হলো ‘দিনব্যাপী এস এম...
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকাদেশের তরুণ সমাজকে যুগোপযোগী
ও দক্ষ জনসম্পদে রূপান্তর এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রত্যয় নিয়ে রাজধানী ঢাকায়
অনুষ্ঠিত হলো ‘দিনব্যাপী এস এম কনফারেন্স ও অতিথি ওভারভিউ প্রোগ্রাম’।
২৮ আগস্ট ২০২৬ (শুক্রবার) শেরে বাংলা নগরের আগারগাঁওয়ে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
কমপ্লেক্স মিলনায়তনে ‘অতিথি গ্রুপ’-এর উদ্যোগে এই জাঁকজমকপূর্ণ কনফারেন্সের আয়োজন করা
হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিথি গ্রুপের দূরদর্শী চেয়ারম্যান
লায়ন সাইফুল ইসলাম সোহেল (পিএমজেএফ)।প্রধান অতিথির বক্তব্যে
তিনি বলেন, "বর্তমান যুগের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো তরুণ প্রজন্মকে দক্ষ ও কর্মক্ষম
করে গড়ে তোলা। প্রচলিত শিক্ষার পাশাপাশি কর্মমুখী শিক্ষার প্রসার ছাড়া দেশের সামগ্রিক
উন্নয়ন অসম্ভব। কেবল সার্টিফিকেটসর্বস্ব শিক্ষা নয়, বরং কারিগরি ও কর্মমুখী শিক্ষাই
পারে একটি তরুণকে স্বাবলম্বী করতে এবং দেশের বেকারত্ব দূর করতে। তিনি আরও বলেন,
"আমাদের বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠী আমাদের সম্পদ। তাদের যদি সঠিক কর্মমুখী শিক্ষায় দীক্ষিত
করা যায়, তবে তারা আর সমাজের বোঝা থাকবে না; বরং একেকজন স্বাবলম্বী মানুষ হিসেবে দেশের
অর্থনীতিতে অবদান রাখবে।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি
হিসেবে উপস্থিত থেকে কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের পরিচালকবৃন্দ বলেন, "সঠিক গাইডলাইন,
আধুনিক আইটি অবকাঠামো এবং বাস্তবমুখী প্রশিক্ষণের সমন্বয়ে আমরা একটি দক্ষ টেক-স্মার্ট
প্রজন্ম গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর। আজকের এই কনফারেন্স তরুণদের আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং
নতুন উদ্যোক্তা তৈরিতে একটি মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে।" তারা আগামীতেও দেশজুড়ে
এই ধরনের শিক্ষণীয় ও উন্নয়নমূলক আয়োজন অব্যাহত রাখার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।দিনব্যাপী আয়োজিত এই কনফারেন্সে
অতিথি গ্রুপের বিভিন্ন স্তরের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, দেশসেরা আইটি প্রশিক্ষক এবং বিপুল
সংখ্যক উদ্যোক্তা অংশ নেন। এতে তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি, আধুনিক ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষণ
এবং স্বাবলম্বী প্রজন্ম গড়ে তোলার নানা দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয় এবং প্রতিষ্ঠানের
আগামী দিনের বৈশ্বিক কর্মপরিকল্পনার ওপর একটি ‘ওভারভিউ’
বা সামগ্রিক ধারণা তুলে ধরা হয়। সরকারের পাশাপাশি সমাজের বিত্তবান ও সুধী সমাজ যদি
এমন কর্মমুখী শিক্ষার প্রসারে এগিয়ে আসে, তবে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণ অনেকটাই সহজতর
হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন বক্তারা৷ অনুষ্ঠানের সমাপনী পর্বে সফলভাবে কোর্স সম্পন্নকারী
প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে মেধা সনদ এবং আমন্ত্রিত প্রশিক্ষণার্থী উদ্যোক্তাদের বিশেষ
সম্মাননা স্মারক প্রদানের মাধ্যমে বর্ণাঢ্য এই আয়োজনের সমাপ্তি ঘটে।