অপতথ্য সমাজ, রাষ্ট্র ও নাগরিক জীবনে চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে : তথ্যমন্ত্রী

বর্তমানে বিশ্বব্যাপী গণমাধ্যম একটি চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছে। প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র কিভাবে নতুন মিডিয়া ইকোসিস্টেম পরিচালনা করছে...

বর্তমানে বিশ্বব্যাপী গণমাধ্যম একটি চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছে। প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র কিভাবে নতুন মিডিয়া ইকোসিস্টেম পরিচালনা করছে, সে বিষয়ে তাদের অভিজ্ঞতা থেকে আমরা শিখতে চাই। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের বিস্তারের ফলে অপতথ্য সমাজ, রাষ্ট্র ও নাগরিক জীবনে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। একসময় প্রধান চ্যালেঞ্জ ছিল গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা। এখন স্বাধীনতার পাশাপাশি ‘ব্যালান্সড ফ্রিডম’ নিশ্চিত করাও জরুরি হয়ে উঠেছে। কারণ স্বাধীনতার অপব্যবহার সাধারণ মানুষের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে। সরকারকে এখন একই সঙ্গে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা এবং জনগণকে অপতথ্যের ক্ষতি থেকে রক্ষা করার দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে কার্যকর সমাধান খোঁজার উদ্যোগ নেওয়া হবে।২৭ এপ্রিল, ২০২৬ সোমবার সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে এ কথা জানান তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি জানান, বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানির সবচেয়ে বড় বাজার যুক্তরাষ্ট্র এবং মানবিক সহায়তার ক্ষেত্রেও দেশটি অন্যতম প্রধান অংশীদার। এ কারণে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে উভয় পক্ষই আগ্রহী। একই সঙ্গে বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে পরিবর্তিত গণমাধ্যম পরিস্থিতি মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চায় বাংলাদেশ।গণমাধ্যম খাতে যৌথভাবে কাজ করার সম্ভাবনার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, পলিসি সাপোর্ট থেকে শুরু করে টেকনোলজিক্যাল সহযোগিতা-সব ক্ষেত্রেই আমরা তাদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চাই। এ বিষয়ে মন্ত্রণালয় ও যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস যৌথভাবে কাজ করবে। বৈঠকে মার্কিন দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।