‘অতিথি স্কুল ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার‘ শিক্ষা ব্যবস্থাকে করছে আধুনিক ও গতিশীল
আবদুর রহমান খানজেন-জি খ্যাত, এখনকার শিক্ষার্থীরা প্রযুক্তির ছোঁয়ায় সব দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। তবে দেশের শিক্ষালয়গুলোতে পরিপূর্ণ আধুনিক সুযোগ সুবিধা না থাকায় এরা সমন্...
আবদুর রহমান খানজেন-জি খ্যাত, এখনকার শিক্ষার্থীরা প্রযুক্তির ছোঁয়ায়
সব দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। তবে দেশের শিক্ষালয়গুলোতে পরিপূর্ণ আধুনিক সুযোগ সুবিধা না থাকায়
এরা সমন্বিতভাবে নিজেদের বিশ্ব সভায় তুলে ধরতে বিভিন্ন সমস্যার সন্মূখীন হচ্ছে। তাই
আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থার সাথে তাল মিলিয়ে চলতে দেশের সকল পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে
স্কুল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের ব্যবহার অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। এ বিষয়টি সামনে রেখে
প্রযুক্তিনির্ভর ও উদীয়মান সফল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ‘অতিথি গ্রুপ‘র সহযোগী কোম্পানী ‘অতিথি সফটওয়্যার সলিউশন লিমিটেড‘ নিয়ে এসেছে ‘অতিথি স্কুল ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার‘।একটি স্কুল পরিচালনায় শিক্ষার্থী ভর্তি, উপস্থিতি,
ফি আদায়, পরীক্ষার ফলাফল তৈরি, রুটিন প্রস্তুত এবং অভিভাবকদের সাথে যোগাযোগের মতো গুরুত্বপূর্ণ সব কাজ সহজ করে দেয়। এদিকে, সনাতন বা ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে এই বিশাল কর্মযজ্ঞ
সামলাতে গিয়ে শিক্ষক ও কর্মচারীদের অনেক সময় নষ্ট হয় ও ভুলত্রুটির সম্ভাবনা থাকে এবং
অত্যন্ত সময়সাপেক্ষ ও জটিল। তাই এই সমস্যাগুলোর আধুনিক ও স্থায়ী সমাধান হলো
স্কুল ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার।অপরদিকে, সফটওয়্যার নির্বাচনের পূর্বে প্রতিষ্ঠানের
বাজেট, শিক্ষার্থীর সংখ্যা এবং প্রয়োজনীয় ফিচারগুলো বিবেচনা করা উচিত। সঠিক পরিকল্পনা-বাস্তবায়নের
মাধ্যমে শিক্ষার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তাই বাজেট চুড়ান্ত করে,
প্রতিষ্ঠানের সব কার্যক্রম এক জায়গায় ডিজিটালি পরিচালনা করতে বেছে নিন উপযুক্ত এডুকেশন
ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার। আপনার প্রতিষ্ঠানের জন্য কোনটি সেরা হবে তার পরামর্শ নিতে
‘অতিথি সফটওয়্যার সলিউশন‘ এর অফিসেও যোগাযোগ করা যেতে পারে।কারণ ‘অতিথি স্কুল ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার‘-এ যে সকল ফিচার পাওয়া যাবে সেগুলো হচ্ছে- স্টুডেন্ট, শিক্ষক এবং অভিভাবক
ড্যাশবোর্ড ও মোবাইল অ্যাপ, অনলাইন ভর্তি ও এনরোলমেন্ট সেবা, স্টুডেন্ট ও স্টাফ উপস্থিতি,
ছুটি এবং বেতন ব্যবস্থাপনা, শিক্ষার্থী ফি কালেকশন ও অটোমেটেড পে-রোল, সকল শ্রেণি পরীক্ষা,
রেজাল্ট ও রিপোর্ট, স্মার্ট মূল্যায়ন পদ্ধতি, মাল্টি-শাখা ম্যানেজমেন্ট, হোস্টেল ম্যানেজমেন্ট
এবং নোটিশ-ছুটি ও গুরুত্বপূর্ণ আপডেট সরাসরি পৌঁছে যাবে মোবাইলে বা অ্যাপস-এ যুক্ত
সকলের কাছে।স্কুল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ-
শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত তথ্য, অভিভাবকের বিবরণ, পূর্ববর্তী শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং শিক্ষকদের
ডাটাবেস সুরক্ষিত রাখা। বায়োমেট্রিক বা RFID কার্ডের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের
উপস্থিতি নিশ্চিত করা এবং সাথে সাথে অভিভাবকদের মোবাইলে এসএমএস (SMS) বা নোটিফিকেশন
পাঠানো। টিউশন ফি, ভর্তি ফি ও অন্যান্য পাওনা অনলাইনে পরিশোধের ব্যবস্থা, রসিদ তৈরি
এবং দৈনিক আয়-ব্যয়ের হিসাব রাখা।এ ছাড়াও প্রশ্নপত্র তৈরি, পরীক্ষার রুটিন
প্রকাশ, নম্বর এন্ট্রি এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে মার্কশিট বা রিপোর্ট কার্ড তৈরি। জুম বা
গুগল মিটের মতো প্ল্যাটফর্মের সাথে ইন্টিগ্রেশন এবং ঘরে বসেই বাড়ির কাজ জমা দেওয়ার
সুবিধা এবং আলাদা মোবাইল অ্যাপ বা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অভিভাবকরা তাদের সন্তানের উপস্থিতি,
রেজাল্ট ও বাড়ির কাজ ঘরে বসেই দেখতে পারেন।এই সফটওয়্যার ব্যবহারের অন্যান্য সুবিধা হচ্ছে-স্বচ্ছতা
ও জবাবদিহিতা: আর্থিক লেনদেন ও পরীক্ষার ফলাফলে কোনো ধরণের কারচুপি বা ভুলের সুযোগ
থাকে না। সময় ও শ্রম সাশ্রয়: শিক্ষক ও প্রশাসনিক কর্মীরা রুটিন কাজগুলো সফটওয়্যারের
মাধ্যমে দ্রুত করতে পারেন, ফলে তারা শিক্ষার মানের দিকে বেশি মনোযোগ দিতে পারেন। যোগাযোগের
উন্নতি: স্কুল এবং অভিভাবকদের মধ্যকার দূরত্ব কমিয়ে তাৎক্ষণিক তথ্য আদান-প্রদান নিশ্চিত
করে এবং কাগজবিহীন পরিবেশ: ফাইল-প্লাস্টিকের ব্যবহার কমিয়ে ডিজিটাল আর্কাইভিং নিশ্চিত
করে, যা পরিবেশবান্ধব।তবে একটি বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে যে, প্রতিষ্ঠানের
শিক্ষক বা স্টাফগণ এই প্রযুক্তিতে অভ্যস্ত না থাকলে তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া এবং শিক্ষার্থীদের
ডাটা সুরক্ষিত রাখতে শক্তিশালী সাইবার সিকিউরিটি বা ডেটা এনক্রিপশন নিশ্চিত করা জরুরি।