পরিচালক পদত্যাগে টালমাটাল বিসিবি,শেষ ব্যক্তি হয়ে থাকার ইঙ্গিত আমিনুলের

পদত্যাগের কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা তবে একের পর এক পরিচালক কেন পদত্যাগ করছেন, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি বিসিবি সভাপতি। তিনি জানান, বোর্ডের অভ্যন্তরীণ এ...

পদত্যাগের কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা তবে একের পর এক পরিচালক কেন পদত্যাগ করছেন, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি বিসিবি সভাপতি। তিনি জানান, বোর্ডের অভ্যন্তরীণ এই সরে দাঁড়ানোর পেছনের কারণ সম্পর্কে তিনিও পুরোপুরি নিশ্চিত নন।আমিনুল বলেন,আমরা প্রায় ছয় মাস ধরে বোর্ড চালাচ্ছি। কিন্তু একটা দিনের জন্যও শান্তিতে কাজ করতে পারিনি। আমাদেরকে সব সময়ই একটি বাহ্যিক শক্তি ডিস্টার্ব করছে। তার এই মন্তব্যের পর থেকেই দেশের ক্রীড়াঙ্গনে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। বোর্ডের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব, বাইরের চাপ কিংবা প্রভাবশালী কোনো মহলের হস্তক্ষেপ রয়েছে কি না, তা নিয়েও তৈরি হয়েছে জোরালো প্রশ্ন।তদন্ত কমিটির রিপোর্ট ঘিরেও অনিশ্চয়তা,বর্তমান বোর্ডকে ঘিরে গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন সামনে আসার পর সরকার যদি কোনো নেতিবাচক সিদ্ধান্ত নেয়, সে বিষয়েও নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন বিসিবি সভাপতি। তিনি বলেন,আমি সবকিছু ছেড়ে দিয়ে এখানে এসেছি আমার দেশকে সাহায্য করতে। এখন যদি কোনো কারণে দায়িত্ব না থাকে, নো প্রবলেম। আমাকে অন্য পথ দেখতে হবে। তবে আমি দেশের জন্য কাজ করতে চাই।ক্রিকেট প্রশাসনে অস্বস্তিকর সন্ধিক্ষণ আমিনুল ইসলামের এই বক্তব্যে একদিকে যেমন দায়িত্ব পালনে তার দৃঢ়তার ইঙ্গিত মিলেছে, অন্যদিকে বিসিবির ভবিষ্যৎ নিয়েও তৈরি হয়েছে নতুন অনিশ্চয়তা। ধারাবাহিক পরিচালক পদত্যাগ, বোর্ড সভাপতির বাহ্যিক চাপ-এর অভিযোগ এবং সরকারি তদন্তের ছায়া মিলিয়ে দেশের ক্রিকেট প্রশাসন এখন এক অস্বস্তিকর সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। এখন সবার নজর তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের দিকে। সেই প্রতিবেদনের ওপরই নির্ভর করতে পারে বিসিবির বর্তমান বোর্ডের ভবিষ্যৎ, এমনকি দেশের ক্রিকেট প্রশাসনের পরবর্তী গতিপথও।