সাধারণ মার্কিনরা ইরানে স্থল সেনা পাঠানোর বিপক্ষে
ইরান যুদ্ধ নিয়ে সাধারণ মার্কিনদের ভেতর হতাশা ও নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির চিত্র উঠে এসেছে রয়টার্স/ইপসোসের সম্প্রতিক একটি জরিপে। এই জরিপে অংশ নেওয়া বেশির ভাগ মানুষ বল...
ইরান
যুদ্ধ নিয়ে সাধারণ মার্কিনদের ভেতর হতাশা ও নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির চিত্র উঠে এসেছে
রয়টার্স/ইপসোসের সম্প্রতিক একটি জরিপে। এই জরিপে অংশ নেওয়া বেশির ভাগ মানুষ বলেছেন,
তাঁরা মার্কিন সেনাদের নিয়ে উদ্বিগ্ন। যুদ্ধের কারণে জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায়
ব্যক্তিগত অর্থনৈতিক অবস্থা নিয়েও তাঁদের দৃষ্টিভঙ্গি নেতিবাচক। প্রায় অর্ধেক মানুষ
মনে করেন, এ যুদ্ধের ফলে মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতা আরও কমে যাবে এবং ইরানের মানুষের
জীবনযাত্রার মান আরও খারাপ হবে। ইরানে আক্রমণের একটি বিকল্প হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের
কর্মকর্তারা সেখানে স্থল সেনা পাঠানোর কথা বিবেচনা করার কথা জানিয়েছেন। জরিপে অংশ নেওয়া
চারজনের মধ্যে তিনজনের বেশি মানুষ মার্কিন স্থল সেনাদের ইরানে পাঠানোর বিপক্ষে।যুক্তরাষ্ট্রের
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দেশবাসীর কাছে ইসরায়েলের সঙ্গে যৌথভাবে ইরানের ওপর হামলার
ব্যাখ্যা দিতে গত বুধবার টেলিভিশনে হাজির হয়েছিলেন। সেদিনের ভাষণে তিনি ইরানের ওপর
তীব্র বোমাবর্ষণ করে দেশটিকে ‘প্রস্তর যুগে’ফেরত পাঠানোর হুমকি দিয়েছেন। ইরানের সশস্ত্র বাহিনী
ট্রাম্পের হুমকির জবাবে সতর্ক করে ‘আরও বিধ্বংসী, বিস্তৃত ও ধ্বংসাত্মক’
হামলার হুমকি দিয়েছে। এ ছাড়া তেহরান এরই মধ্যে হরমুজ প্রণালি বন্ধে তাদের সক্ষমতা দেখিয়েছে।
আশঙ্কা করা হচ্ছে, বিশ্ববাজারে মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি সরবরাহের ওপর এর প্রভাব আরও
গভীর হবে।
ট্রাম্প
কয়েক সপ্তাহের মধ্যে এ যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য অর্জন হবে বলেও দাবি করেছেন। কিন্তু
এ যুদ্ধের প্রভাবে যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরের এবং মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিয়ে সাধারণ
মার্কিনরা হতাশা প্রকাশ করেছেন।