শিল্পীদের আস্থার প্রতীক সুপার হিরো ডি এ তায়েব

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএফডিসি) চত্বরে তখন টানটান উত্তেজনা। দীর্ঘ প্রতীক্ষা আর রাতভর ভোট গণনার পর যখন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২৬-২০২৮...

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএফডিসি) চত্বরে তখন টানটান উত্তেজনা। দীর্ঘ প্রতীক্ষা আর রাতভর ভোট গণনার পর যখন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের দ্বিবার্ষিক নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করা হলো, তখন পুরো এফডিসি মেতে উঠল এক অভূতপূর্ব উল্লাসে। এবারের নির্বাচনে সকল প্রার্থীর মধ্যে এক অনন্য ও ঐতিহাসিক রেকর্ড গড়েছেন বিশিষ্ট চিত্রনায়ক ও নাট্যাভিনেতা ডি এ তায়েব। সহ-সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তিনি লাভ করেছেন নির্বাচনের সর্বোচ্চ ২৬০টি ভোট। সাধারণ শিল্পীদের এই বিপুল রায় ও স্বতঃস্ফূর্ত ভালোবাসা প্রমাণ করে, তিনি শুধু রূপালী পর্দারই সফল নায়ক নন, বরং সাধারণ চলচ্চিত্র শিল্পীদের অধিকার রক্ষা ও সুখে-দুঃখে পাশে দাঁড়ানোর এক বিশ্বস্ত ও অকৃত্রিম কাণ্ডারি।বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী এই জনপ্রিয় অভিনেতা দেশের শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তিনির্ভর অনলাইন বুকিং প্ল্যাটফর্ম ‘অতিথি গ্রুপ’ -এর ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর এই গৌরবময় ও রেকর্ডব্রেকিং মহাবিজয়ে অতিথি গ্রুপ পরিবারে এখন বইছে আনন্দের বন্যা। ডি এ তায়েবের এই অবিস্মরণীয় সাফল্যে গভীর উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে তাঁকে আন্তরিক শুভেচ্ছা, অভিনন্দন ও শ্রদ্ধা জানিয়েছেন অতিথি গ্রুপের সম্মানিত চেয়ারম্যান লায়ন সাইফুল ইসলাম সোহেল এবং কোম্পানির দূরদর্শী পরিচালক লায়ন আফিয়া কনক ও লায়ন নূরনবী মৃধাসহ অন্যান্য পরিচালকগণ।এক যৌথ অভিনন্দন বার্তায় চেয়ারম্যান ও পরিচালকবৃন্দ সহ কোম্পানির সকল ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ জানান, ডি এ তায়েব কেবল একজন অত্যন্ত দক্ষ ও গুণী অভিনেতাই নন, তিনি মূলত এক অনন্য মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন ব্যক্তিত্ব। তাঁর এই বিশাল ও সম্মানজনক বিজয় অতিথি গ্রুপ পরিবারের প্রতিটি সদস্যকে অত্যন্ত গর্বিত ও আনন্দিত করেছে। তারা দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, বড় পর্দার এবং কর্পোরেট জগতের মতো চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সুযোগ্য নেতৃত্বেও তিনি তাঁর মেধা, সততা ও সুনিপুণ সাংগঠনিক দক্ষতার অনন্য স্বাক্ষর রাখবেন।গত ৩ জুলাই ২০২৬, শুক্রবার দিনভর উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে বিএফডিসি প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয় শিল্পী সমিতির এই বহুল প্রতীক্ষিত নির্বাচন। 'শিবা সানু-জয় চৌধুরী' প্যানেল থেকে সহ-সভাপতি পদে বিপুল জনপ্রিয়তার সাথে লড়েছেন টাঙ্গাইলের কৃতি সন্তান ডি এ তায়েব। নির্বাচনে যেখানে প্রতিটি পদের জন্য হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়েছে, সেখানে ডি এ তায়েবের প্রাপ্ত ২৬০ ভোট এক বিশাল ও ধরাছোঁয়ার বাইরের ব্যবধান তৈরি করেছে। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইলিয়াস কোবরা পেয়েছেন ২১৬ ভোট। অন্যদিকে ঢাকাই চলচ্চিত্রের দুই জ্যেষ্ঠ ও কিংবদন্তি তারকা নূতন (২০৪ ভোট) এবং রোজিনাকে (১৫২ ভোট) পেছনে ফেলে সাধারণ ভোটারদের হৃদয়ে নিজের অবিসংবাদিত শ্রেষ্ঠত্ব ও জায়গা নিশ্চিত করেছেন তিনি।ডি এ তায়েবের এই বিশাল ও ঐতিহাসিক বিজয়ের নেপথ্যে রয়েছে সাধারণ ও প্রান্তিক শিল্পীদের প্রতি তাঁর দীর্ঘদিনের নিঃস্বার্থ ভালোবাসা, দানশীলতা ও একাগ্রতা। নির্বাচনের ঠিক আগেই তিনি দৃঢ় প্রত্যয়ে গণমাধ্যমে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে, তিনি গ্যারান্টি দিচ্ছেন শিল্পী সমিতির একজন সাধারণ শিল্পীও আর কখনো নিজের সদস্যপদ বা ভোটাধিকার হারাবে না। দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত ও সংকটে পড়া শিল্পীদের পাশে দাঁড়ানো, তাদের দুঃখ-কষ্টে নিঃশব্দে এগিয়ে যাওয়া এবং এফডিসির সুন্দর ও কাজের পরিবেশ ফিরিয়ে আনার যে অকৃত্রিম আশ্বাস তিনি দিয়েছিলেন, ব্যালট পেপারে শিল্পীরা তারই যোগ্য প্রতিদান দিয়েছেন। এই নির্বাচনে তাঁর হয়ে প্রচারণা চালাতে খোদ তাঁর কন্যাকেও দেখা গেছে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে। বাবার প্রতি সাধারণ শিল্পীদের নিখাদ ও নিঃস্বার্থ ভালোবাসার এই জোয়ার ছুঁয়ে গেছে তাঁর পরিবারকেও।এবারের নির্বাচনে সভাপতি পদে শিবা সানু (২৪৩ ভোট) এবং সাধারণ সম্পাদক পদে জয় চৌধুরী (২৩৭ ভোট) বিজয়ী হয়ে ঐতিহ্যবাহী এই সমিতির নতুন নেতৃত্ব ও হাল ধরেছেন। এই নবনির্বাচিত শক্তিশালী কমিটির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি ও ভরসার কেন্দ্র হিসেবে ডি এ তায়েবের উপস্থিতি সাধারণ ভোটারদের মনে এক নতুন আত্মবিশ্বাস ও আশার আলো বাড়িয়ে দিয়েছে। সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে বিজয়ী হওয়ার পর ডি এ তায়েব ভোটারদের প্রতি তাঁর গভীর ও বিনম্র কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। একই সাথে তাঁর এই জীবনের অন্যতম আনন্দের দিনে পাশে থাকার জন্য এবং উষ্ণ অভিনন্দন জানানোর জন্য অতিথি গ্রুপের সম্মানিত চেয়ারম্যান, পরিচালকবৃন্দসহ সকল স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীর প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। তিনি জানান, শিল্পীদের দেওয়া প্রতিটি প্রতিশ্রুতি তিনি অক্ষরে অক্ষরে পালন করবেন এবং শিল্পী সমিতিকে সব ধরনের কাদা ছোঁড়াছুড়ির ঊর্ধ্বে রেখে একটি অত্যন্ত মর্যাদাশীল ও কল্যাণমুখী সংগঠনে রূপান্তর করবেন। চলচ্চিত্রের এই তীব্র ক্রান্তিকালে ডি এ তায়েবের মতো একজন দূরদর্শী, মানবিক ও তুমুল জনপ্রিয় নেতার বলিষ্ঠ নেতৃত্ব এফডিসির আঙিনায় নতুন সুদিন ও আশার আলো জাগাবে—এমনটাই এখন সাধারণ চলচ্চিত্রপ্রেমী ও শিল্পীদের মনে গভীর প্রত্যাশা।বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলার পাশাপাশি কার্বন নিঃসরণ কমানোর মাধ্যমে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক কার্বন বাজারে একটি সম্ভাবনাময় অবস্থান তৈরি করতে পারে। এজন্য পরিবেশ সংরক্ষণ, টেকসই উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে সমন্বয় করে কার্যকর পরিকল্পনা গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।তিনি নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার সম্প্রসারণ, শিল্পখাতে পরিবেশবান্ধব ও আধুনিক প্রযুক্তির প্রয়োগ, জ্বালানি দক্ষতা বৃদ্ধি, বন সংরক্ষণ এবং দেশব্যাপী ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি জোরদারের নির্দেশ দেন। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের কার্বন শোষণ সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং গ্রিনহাউস গ্যাসের নিঃসরণ হ্রাস করা সম্ভব হবে বলে মত দেন প্রধানমন্ত্রী।এছাড়া আন্তর্জাতিক কার্বন ক্রেডিট বাণিজ্যে অংশগ্রহণের সুযোগ কাজে লাগাতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি বাস্তবসম্মত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের নির্দেশ দেওয়া হয়। এর মাধ্যমে জলবায়ু অর্থায়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে বৈঠকে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।বিশেষজ্ঞদের মতে, কার্যকর কার্বন ব্যবস্থাপনা, বনায়ন এবং পরিচ্ছন্ন জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি পেলে বাংলাদেশ একদিকে যেমন জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় আরও সক্ষম হবে, অন্যদিকে আন্তর্জাতিক কার্বন বাজার থেকেও অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।