সম্প্রীতি ও মিলনের অমিয় বাণী মিশে আছে লোকজ ঐতিহ্যে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

সামাজিক উৎসব বিজু, সাংগ্রাই, বৈসু, চাংক্রান, বিষু ও চাংলান উপলক্ষে পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসরত বিভিন্ন নৃ-গোষ্ঠীর জনসাধারণকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক...

সামাজিক উৎসব বিজু, সাংগ্রাই, বৈসু, চাংক্রান, বিষু ও চাংলান উপলক্ষে পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসরত বিভিন্ন নৃ-গোষ্ঠীর জনসাধারণকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি সারা বিশ্বে দেশের মর্যাদায় এক ভিন্নমাত্রা যোগ করেছে। আমাদের দেশের বিভিন্ন ছোট ছোট জাতিগোষ্ঠীর সম্প্রদায়সহ সব নাগরিকের সমান অগ্রগতি, বিকাশ, নিরাপত্তা ও সংবিধানে বর্ণিত মৌলিক অধিকারের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। পাহাড়ে কিংবা সমতলে বসবাসকারী, একজন বাংলাদেশি হিসেবে আমাদের প্রত্যেকের অধিকার সমান। তিনি আরও বলেন, মানুষে-মানুষে সম্প্রীতি ও মিলনের অমিয় বাণী মিশে আছে আমাদের লোকজ ঐতিহ্যে। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে পাহাড় কিংবা সমতলে বসবাসকারী সবার ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসব আমাদের জাতীয় উৎসবেরই অংশ। পাহাড়ি অঞ্চলের বিভিন্ন নৃ-গোষ্ঠীর ঐতিহ্য, কৃষ্টি, সংস্কৃতি ও ইতিহাস বাংলাদেশের জাতীয় সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ, যা আমাদের ঐতিহ্যকে গৌরবময় ও বৈচিত্র্যপূর্ণ করেছে।বাংলা নববর্ষ ও চৈত্রসংক্রান্তিকে ঘিরে পার্বত্য এলাকায় বসবাসকারী বিভিন্ন সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী সামাজিক উৎসব বিজু, সাংগ্রাই, বিষু, বৈসু, চাংক্রান ও চাংলান। বিজু, সাংগ্রাইসহ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর প্রধান সামাজিক উৎসব এবং বাংলা নববর্ষ সকলের জীবনে অনাবিল সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি বয়ে আনবে এই আশাবাদ ব্যক্ত করে এসব উৎসব উপলক্ষে বিভিন্ন নৃ-গোষ্ঠীর প্রত্যেক সদস্যকে অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী। একইসঙ্গে দেশবাসীকে বাংলা নববর্ষের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান তিনি।