সংকট মোকাবিলায় জ্বালানি মজুতের বিকল্প নেই!
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধের কারণে তেল-গ্যাসের উৎপাদন ও সরবরাহ বিঘ্নিত হচ্ছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার ফিলিং স্টেশনগুলোতে জ্বালানি তেলের সরবরা...
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের
সঙ্গে ইরানের যুদ্ধের কারণে তেল-গ্যাসের উৎপাদন ও সরবরাহ বিঘ্নিত হচ্ছে। পরিস্থিতি
মোকাবিলায় সরকার ফিলিং স্টেশনগুলোতে জ্বালানি তেলের সরবরাহ কমিয়েছে। ফিলিং স্টেশন থেকে
যানবাহনভেদে তেল সরবরাহের সীমাও বেঁধে দেওয়া হয়। এই রেশনিং চালু হওয়ায় আতঙ্কিত হয়ে
মানুষ যানবাহনে তেল নিতে দিন-রাত ফিলিং স্টেশনে ভিড় করছেন। অনেক জায়গায় নির্ধারিত সীমার
চেয়ে কম তেল পাচ্ছে ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যান। জ্বালানি তেলের সংকটে ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যানের
ভাড়া বাড়িয়ে দিয়েছেন পরিবহন ব্যবসায়ীরা। এতে করে নিত্যপণ্যের পাশাপাশি আমদানি-রপ্তানি
পণ্য পরিবহনে খরচ বেড়েছে। পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ারও আশঙ্কা
দেখা দিয়েছে৷ জ্বালানি–সংকট মোকাবিলায় রেশনিং পদ্ধতি ইতিবাচক। তবে এটিকে
পুঁজি করে পরিবহন ব্যয় বাড়লে মূল্যস্ফীতি বাড়তে পারে। তাই নিত্যপণ্য পরিবহনে তেল সরবরাহে
ছাড় দেওয়া যেতে পারে। অবশ্যই সেটি যথাযথভাবে তদারক করতে হবে। এমন আকস্মিক সংকট মোকাবিলায়
জ্বালানি মজুতের বিকল্প নেই।