টাইব্রেকারের স্নায়ুযুদ্ধে আরশিনগর পরাস্ত, সখিপুরে চোকদার স্মৃতি ফুটবলের মুকুট ডিএমখালি চরচান্দার ঘরে
নিজস্ব প্রতিবেদক, ভেদরগঞ্জ (শরীয়তপুর)গত ১১ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার) বিকেলে শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার সখিপুরে বিপুল উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে ‘হাবিব উল্যা চোকদার স্মৃতি...
নিজস্ব প্রতিবেদক, ভেদরগঞ্জ
(শরীয়তপুর)গত ১১ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার)
বিকেলে শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার সখিপুরে বিপুল উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে ‘হাবিব উল্যা চোকদার স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ (সিজন-১)’-এর বহুল প্রতীক্ষিত ফাইনাল ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঐতিহ্যবাহী হাবিব
উল্যা ডিগ্রি কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত এই জমজমাট আয়োজনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন শরীয়তপুর-২
আসনের সংসদ সদস্য শফিকুর রহমান কিরণ। বাংলাদেশ সরকারের যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল
হক এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে খেলার শোভা ও গুরুত্ব বহুগুণ বাড়িয়ে দেন।‘শরীয়তন হাবিব স্মৃতি ফাউন্ডেশন’ আয়োজিত এই ফাইনাল ম্যাচে মাঠে দু'দলের লড়াই ছিল অত্যন্ত তীব্র ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ।
নির্ধারিত ৯০ মিনিট এবং পরবর্তী অতিরিক্ত সময়েও আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ সত্ত্বেও কোন
দলই প্রতিপক্ষের জাল ভেজাতে পারেনি। ম্যাচ গোলশূন্য ড্র হওয়ায় ভাগ্য নির্ধারণে রেফারি
টাইব্রেকার শটের সিদ্ধান্ত নেন। স্নায়ুচাপের এই লড়াইয়ে আরশিনগর ফুটবল একাদশ ৫টি শটের
মধ্যে ৪টিতে সফল হয়। অপরদিকে, ডিএমখালি চরচান্দা ফুটবল একাদশ শতভাগ সফলতায় ৫টি শটের
সবকটিতেই বল জালে জড়িয়ে ৫–৪ ব্যবধানে টুর্নামেন্টের রোমাঞ্চকর জয় ও শিরোপা
নিশ্চিত করে।খেলা শেষে বিজয়ী ও রানার্সআপ
দলের হাতে ট্রফি তুলে দেন প্রধান অতিথি যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। এ সময়
তিনি বলেন, যুবসমাজকে মাদক, মুঠোফোনের আসক্তি ও সামাজিক অবক্ষয় থেকে মুক্ত রাখতে মাঠের
খেলাধুলার কোন বিকল্প নেই। তরুণদের ফুটবলমুখী করতে এবং দেশের ফুটবলের বুনিয়াদ শক্তিশালী
করতে সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের পৃষ্ঠপোষকতা ও সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত
করেন প্রতিমন্ত্রী।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি
হিসেবে উপস্থিত থেকে খেলা উপভোগ করেন শরীয়তপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য সাইদ আহমেদ আসলাম,
জেলা প্রশাসক মিজ তাহসিনা বেগম, পুলিশ সুপার রওনক জাহান, জেলা পরিষদের প্রশাসক সরদার
এ কে এম নাসির উদ্দিন কালু এবং ভেদরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: আবু বকর সিদ্দিক।ফাইনাল ম্যাচটিকে কেন্দ্র
করে স্থানীয় হাজারো ক্রীড়ামোদী দর্শকের উপস্থিতিতে পুরো মাঠ উৎসবমুখর এক মিলনমেলায়
পরিণত হয়। স্থানীয় বিশিষ্টজনেরা আশা প্রকাশ করেন, এমন সুশৃঙ্খল আয়োজনের মাধ্যমে তরুণ
সমাজ খেলাধুলায় উদ্বুদ্ধ হবে এবং ফুটবলের সঠিক বিকাশ ঘটবে।