টেকসই পর্যটন ও আতিথেয়তায় সমৃদ্ধ হোক বাংলাদেশ
বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষ্যে বাণীজগতে মানুষের পথচলা দু’রকম। একদল মানচিত্রের রেখা ধরে হাঁটেন, আর অন্যদল সেই রেখা পেরিয়ে খুঁজে নেন অফুরন্ত বিস্ময়, জীবন ও দর্শন। যা...
বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষ্যে
বাণীজগতে মানুষের পথচলা দু’রকম।
একদল মানচিত্রের রেখা ধরে হাঁটেন, আর অন্যদল সেই রেখা পেরিয়ে খুঁজে নেন অফুরন্ত বিস্ময়,
জীবন ও দর্শন। যাঁরা চিরচেনা সীমানা ভেঙে অজানাকে ছুঁতে চান ও ভ্রমণের মাঝে জীবনের
গভীর অর্থ খোঁজেন এবং নতুন অভিজ্ঞতায় জীবনকে সমৃদ্ধ করতে ভালোবাসেন, বিশ্ব পর্যটন দিবসের
এই শুভক্ষণে তাঁদের সবাইকে জানাই আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা। একই সাথে সশ্রদ্ধ অভিনন্দন
এই পর্যটন শিল্পের পেছনের সকল উদ্যোক্তা ও সম্মুখসারির কারিগরদের।পর্যটন কেবল বিলাসবহুল
অবকাশ যাপন কিংবা ক্যামেরার লেন্সে বন্দি কিছু মুহূর্ত নয়। এটি মূলত ভিন্ন সংস্কৃতির
মুখোমুখি হওয়া, অচেনা মানুষের আতিথেয়তায় নিজেকে নতুন করে আবিষ্কার করা এবং বৈচিত্র্যের
মাঝেও একাত্মতা খুঁজে নেওয়া। বাংলাদেশ নদী, পাহাড়, অরণ্য আর সমুদ্রের এক অনন্য জীবন্ত
ক্যানভাস। আমাদের এই মাটির সুবাস ও মানুষের অকৃত্রিম ভালোবাসা পৃথিবীর যেকোন প্রান্তের
পর্যটককে মুগ্ধ করার ক্ষমতা রাখে। ‘অতিথি গ্রুপ’ বিশ্বাস করে, প্রতিটি ভ্রমণকারী কেবল একজন পর্যটক
নন, তাঁরা আমাদের ঐতিহ্য ও সৌহার্দ্যের একেকজন বৈশ্বিক দূত।এবারের পর্যটন দিবসে আমাদের
প্রত্যয় হোক সম্পূর্ণ ভিন্ন ও ব্যতিক্রমী। আসুন, আমরা এমন এক দায়িত্বশীল পর্যটন সংস্কৃতি
গড়ে তুলি, যেখানে ভ্রমণের স্থানে আমরা শুধু নিজেদের পায়ের ছাপ রেখে আসব, কোন প্লাস্টিক
বা আবর্জনা নয়। আর ফেরার পথে সাথে নিয়ে আসব কেবল মধুর স্মৃতি, প্রকৃতির কোন ক্ষতি করে
নয়। দর্শনীয় স্থানগুলোর পরিচ্ছন্নতা ও সৌন্দর্য বজায় রেখে দেশী-বিদেশী পর্যটকদের কাছে
বাংলাদেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরাই হোক আমাদের অঙ্গীকার। দায়িত্বশীল ও পরিবেশবান্ধব
পর্যটনকে পাথেয় করে আমাদের ভেতরের পরিব্রাজক জেগে উঠুক, প্রতিটি যাত্রা হোক নিরাপদ
ও অর্থপূর্ণ।"পরিশেষে, দেশের পর্যটন
খাতের টেকসই উন্নয়ন, আধুনিকায়ন এবং এই শিল্পের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ
কামনা করছি।লায়ন সাইফুল ইসলাম সোহেল
চেয়ারম্যান, অতিথি গ্রুপ।