ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল দেশের ভেতর!

সম্প্রতি দেশের মধ্যে ভূমিকম্পের উৎপত্তির প্রবণতা বেড়েছে। বিশেষ করে ভূমিকম্পের কম ঝুঁকির অঞ্চল হিসেবে পরিচিত দেশের দক্ষিণ–পশ্চিমাঞ্চলে ভূমিকম্প বেড়ে গেছে। ভূমিকম...

সম্প্রতি দেশের মধ্যে ভূমিকম্পের উৎপত্তির প্রবণতা বেড়েছে। বিশেষ করে ভূমিকম্পের কম ঝুঁকির অঞ্চল হিসেবে পরিচিত দেশের দক্ষিণ–পশ্চিমাঞ্চলে ভূমিকম্প বেড়ে গেছে। ভূমিকম্পপ্রবণ তিনটি প্লেটের সংযোগস্থলে আছে বাংলাদেশ। তাই এ দেশে যে ভূমিকম্প মাঝেমধ্যে হবে, সেটাকে স্বাভাবিক বলেই মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। দেশের পূর্ব ও পশ্চিম প্রান্তে থাকা দুই প্লেটের মধ্যে বিপরীতমুখী টানের (টেনশনাল ফোর্স) মধ্যে পড়ে গেছে এই দক্ষিণ–পশ্চিমাঞ্চল। এ কারণে এই অঞ্চলে ভূমিকম্পপ্রবণতা বেড়ে গিয়ে থাকতে পারে। আবার দক্ষিণ–পশ্চিমাঞ্চলে নতুন কোনো ফাটল সৃষ্টি হয়ে থাকতে পারে। কিংবা পুরোনো ফাটল নতুন করে সক্রিয় হয়ে থাকতে পারে বলেও মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। দেশের অভ্যন্তর এবং সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে ভূমিকম্প বেড়ে যাওয়ার কারণ ভূ–অভ্যন্তরে যে বিপুল পরিমাণ শক্তি সঞ্চয় হয়েছে, সেটার বহিঃপ্রকাশ। এটি একটি বড় আকারের ভূমিকম্পের ইঙ্গিত দেয়, যেটা অনেক দিন ধরেই বলা হচ্ছে। একটি বড় ভূমিকম্পের আশঙ্কার কথা মানলেও দেশ এবং আশপাশের এলাকায় ভূমিকম্প বেড়ে যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে আগের চেয়ে আমাদের দেশ এবং পার্শ্ববর্তী এলাকায় ভূমিকম্পের তথ্য সংগ্রহের তৎপরতা বেড়েছে। যেগুলো আগে ছিল না। প্রযুক্তিরও উন্নয়ন হয়েছে। তাই হয়তো এখন আমরা বেশি এবং সঠিক মাত্রায় ভূমিকম্প সংক্রান্ত তথ্য পাচ্ছি।’  দক্ষিণ–পশ্চিমাঞ্চলের এসব ভূমিকম্প ভীতিকর নয় বলে ধারণা করেন বিশেষজ্ঞরা। তবে তাঁদের মত, দেশের ভেতরে এবং আশপাশে ভূমিকম্পের সংখ্যা বেড়ে যাওয়াটা বড় ভূমিকম্পের ইঙ্গিত দেয়। আর সেই ভূমিকম্পের মোকাবিলা করার যথাযথ প্রস্তুতি দরকার।